পোশাক, প্রসাধনী, গয়নার মতোই ‘নেল এক্সটেনশন’ ইদানীং সাজগোজের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হয়ে উঠেছে। আসল নখের উপর আঠা দিয়ে কৃত্রিম নখ বসিয়ে, তার উপরে নানা রকম কারুকাজ করানো রীতিমতো নেশার বিষয় হয়ে উঠেছে কারও কারও কাছে। সাময়িক ভাবে তা হাতের ভোল বদলে দিলেও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে একেবারেই ভাল নয়, এমনটাই মত চিকিৎসকদের। ‘নেল এক্সটেনশন’ করাতে গিয়ে ম্যানিকিয়োর ল্যাম্পের বারংবার ব্যবহার অজান্তেই হাতের ত্বকের বারোটা বাজাচ্ছে।
জেল দিয়ে ‘নেল এক্সটেনশন’ করাতে অন্তত পক্ষে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে। আঠা দিয়ে কৃত্রিম নখ বসানো, রাসায়নিক জেলের সাহায্যে পরতে পরতে নখের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে তোলা, ধাপে ধাপে তার উপর বিভিন্ন রঙের কারুকাজ করা, এগুলি শেষ হলে তা শুকিয়ে নেওয়ার সময় আসে। ঠিক এই ধাপে এসেই সমস্যা শুরু হয়। এই একের পর এক পরত শুকোতে গেলে সাহায্য নিতে হয় ‘ইউভি লাইট’ যুক্ত বিশেষ একটি ল্যাম্পের। নখ এবং সেই সংলগ্ন ত্বক ওই তীব্র নীলচে আলোর মধ্যে প্রবেশ করানো মাত্রই তা অতিবেগনি রশ্মির সংস্পর্শে আসে। অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং প্রভূত পরিমাণে ফ্রি র্যাডিক্যাল যুক্ত ‘রিঅ্যাক্টিভ অক্সিজেন স্পিসিস’ (আরওএস) তৈরি করে, যা সময়ের সঙ্গ সঙ্গে ডিএনএ এবং ত্বকের কোষগুলির ক্ষতি করতে শুরু করে। ফলস্বরূপ ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে এবং এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে। ত্বক চিকিৎসকদের মতে, মাঝেমধ্যে ‘নেল এক্সটেনশন’ করালে ক্ষতির আশঙ্কা কম। তবে এখন অনেক মহিলা প্রায় প্রতি মাসেই ‘নেল এক্সটেনশন’ করান। সে ক্ষেত্রে কিন্তু বিপদের আশঙ্কা বাড়ে।
কী ভাবে বিপদের ঝুঁকি কামাতে পারেন?
১) সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সব সময়ে সানস্ক্রিন মাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। ‘নেল এক্সটেনশন’-এর ক্ষেত্রেও সানস্ক্রিনের ব্যবহার করতে হবে। সালোঁয় যাওয়ার আগে হাতে ভাল করে সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে।
২) অতিবেগনি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে ইউভি প্রটেক্টিভ গ্লাভ্স ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নখের ডগাগুলি কেটে নিলেই হবে মুশকিল আসান।
৩) ঘন ঘন ‘নেল এক্সটেনশন’ করালে চলবে না। সালোঁয় গিয়ে ‘নেল এক্সটেনশন’-এর সেশন নেওয়া কমাতে হবে।
জেল দিয়ে ‘নেল এক্সটেনশন’ করাতে অন্তত পক্ষে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা সময় লাগে। আঠা দিয়ে কৃত্রিম নখ বসানো, রাসায়নিক জেলের সাহায্যে পরতে পরতে নখের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে তোলা, ধাপে ধাপে তার উপর বিভিন্ন রঙের কারুকাজ করা, এগুলি শেষ হলে তা শুকিয়ে নেওয়ার সময় আসে। ঠিক এই ধাপে এসেই সমস্যা শুরু হয়। এই একের পর এক পরত শুকোতে গেলে সাহায্য নিতে হয় ‘ইউভি লাইট’ যুক্ত বিশেষ একটি ল্যাম্পের। নখ এবং সেই সংলগ্ন ত্বক ওই তীব্র নীলচে আলোর মধ্যে প্রবেশ করানো মাত্রই তা অতিবেগনি রশ্মির সংস্পর্শে আসে। অতিবেগনি রশ্মি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং প্রভূত পরিমাণে ফ্রি র্যাডিক্যাল যুক্ত ‘রিঅ্যাক্টিভ অক্সিজেন স্পিসিস’ (আরওএস) তৈরি করে, যা সময়ের সঙ্গ সঙ্গে ডিএনএ এবং ত্বকের কোষগুলির ক্ষতি করতে শুরু করে। ফলস্বরূপ ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে শুরু করে এবং এমনকি ক্যানসারের ঝুঁকিও বাড়ে। ত্বক চিকিৎসকদের মতে, মাঝেমধ্যে ‘নেল এক্সটেনশন’ করালে ক্ষতির আশঙ্কা কম। তবে এখন অনেক মহিলা প্রায় প্রতি মাসেই ‘নেল এক্সটেনশন’ করান। সে ক্ষেত্রে কিন্তু বিপদের আশঙ্কা বাড়ে।
কী ভাবে বিপদের ঝুঁকি কামাতে পারেন?
১) সূর্যের অতিবেগনি রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সব সময়ে সানস্ক্রিন মাখার পরামর্শ দেন চিকিৎসকেরা। ‘নেল এক্সটেনশন’-এর ক্ষেত্রেও সানস্ক্রিনের ব্যবহার করতে হবে। সালোঁয় যাওয়ার আগে হাতে ভাল করে সানস্ক্রিন মেখে নিতে হবে।
২) অতিবেগনি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে ইউভি প্রটেক্টিভ গ্লাভ্স ব্যবহার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে নখের ডগাগুলি কেটে নিলেই হবে মুশকিল আসান।
৩) ঘন ঘন ‘নেল এক্সটেনশন’ করালে চলবে না। সালোঁয় গিয়ে ‘নেল এক্সটেনশন’-এর সেশন নেওয়া কমাতে হবে।
ফারহানা জেরিন